যেকোনো ধরনের অস্তিত্বকেই বিপদ বলে জানা!
প্রাচীন প্রবীণগণ ব্যাখ্যা করেছেন : যেমন একজন এই উপলব্ধি বারবার করে, বিকশিত করে ও অনুশীলন করে যে, সমস্ত প্রকাশই এক বিভীষিকা, তখন সে কোনো আশ্রয়, কোনো নিরাপদ আশ্রয়স্থল, বা যাওয়ার মতো কোনো স্থান খুঁজে পায় না, কারণ কোনো ধরনের অস্তিত্ব, উৎপত্তি, নিয়তি, অবস্থা বা নিবাসে কোনো নিরাপদ আশ্রয় নেই। নির্বাণ ছাড়া আর কোথাওই এমন একটিও স্থিতিশীল ও স্থায়ী গঠন বা নির্মাণ নেই, যার উপর কেউ আশা রাখতে পারে বা যাকে আঁকড়ে ধরতে পারে: কারণ যেমনটি ভগবান বুদ্ধ সংক্ষেপে নির্দেশ করেছেন: তিন প্রকার অস্তিত্ব জ্বলন্ত কয়লায় ভরা কয়লার গর্তের মতো দেখায়, চারটি প্রধান উপাদান ভয়ঙ্কর বিষধর সাপের মতো (SN IV 174), পাঁচটি স্কন্ধ উদ্যত অস্ত্রধারী খুনীদের মতো (SN IV 174), ছয়টি অভ্যন্তরীণ ইন্দ্রিয় উৎস একটি শূন্য গ্রামের মতো, ছয় প্রকার বাহ্যিক ইন্দ্রিয় বিষয় গ্রাম আক্রমণকারী ডাকাতদের মতো (SN IV 174-75), চেতনার সাতটি স্তর এবং প্রাণীদের নয়টি আবাস যেন ১১টি আগুনে জ্বলছে, দাউদাউ করছে ও প্রজ্জ্বলিত হচ্ছে (দেখুন SN IV 19)। এইভাবে সমস্ত ঘটনা পদার্থ বা সন্তুষ্টিবিহীন বিপদের এক বিশাল স্তূপের মতো দেখায়, যেমন একটি টিউমার, বা একটি রোগ, বা একটি তীর, একটি দুর্যোগ, একটি যন্ত্রণাদায়ক কষ্ট, দুঃখের একটি গিঁটের মতো (দেখুন MN I 436)। বিসুদ্ধিমগ্গ ৬৪৭।
অস্তিত্বে সমস্ত সত্তার অন্তর্নিহিত বিপদ (আদিনব) সম্পর্কে :
সমস্ত সত্তাই বিপদ!
** সুমনপাল ভিক্ষু **
No comments:
Post a Comment